প্রতিদ্বন্দ্বিতা হলে ভোটে অনিয়মও প্রতিরোধ হবে: সিইসি

Sohag Sheikh ১০ আগস্ট, ২০১৮ রাজনীতি
img

একাদশ সংসদ নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিশ্চিত করা গেলে অনিয়মও প্রতিরোধ হবে বলে মনে করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

তবে বাংলাদেশের ‘বাস্তবতায়’ বড় নির্বাচনে (পাবলিক) অনিয়ম ‘একেবারেই হবে না’- এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করছেন না।

বৃহস্পতিবার টেলিফোনে এক সংক্ষিপ্ত সাক্ষাৎকারে সিইসি বলেন, “সংসদ নির্বাচনে ৪০ হাজার ভোটকেন্দ্র, প্রায় ৩ লাখ ভোটকক্ষ- এত বড় নির্বাচনে কোথাও অনিয়ম হবে না- এমন কথা বললেও মিথ্যা কথা বলা হবে। আমি বাস্তবতার কথা বলছি; অনিয়ম হবে না- এমন নিশ্চয়তা আমি তো দিতে পারি না।”

আসছে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে একাদশ সংসদ নির্বাচন করার সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে নূরুল হুদা নেতৃত্বাধীন বর্তমান ইসির সামনে।

সব দলকে সেই নির্বাচনে আশা করলেও তফসিল ঘোষণার আগে আর কোনো সংলাপ করা হবে না বলে জানিয়েছেন সিইসি।

“ভোটের আগে আর সংলাপ করব না। নভেম্বরের শুরুতে তফসিল হতে পারে। প্রতিযোগিতামূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন হলে অনিয়ম করার সুযোগও পায় না কেউ।”

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর কুমিল্লা ও রংপুর সিটি করপোরেশনের ভোট করে প্রশংসিত হয় নূরুল হুদার কমিশন। তবে এরপর খুলনা, গাজীপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও সিলেট সিটির ভোটে অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় সমালোচনার মুখে পড়তে হয় বর্তমান ইসিকে।

এ অবস্থায় বুধবার ভোটের অনিয়ম নিয়ে সিইসির একটি বক্তব্য আলোচনার জন্ম দেয়।

সেদিন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সিইসি বলেন, বড় নির্বাচনে অনিয়ম হবে না- এমন নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়। কোনো নির্বাচনে যদি অনিয়ম হয়, তাহলে নির্বাচন কমিশন নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।

সিইসির এমন মন্তব্যের পর তাকে ‘সংযত’ হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, “আমাদের দেশের বাস্তবতায় সিইসি হয়ত মনে করেছেন- এটাই সত্যি। কিন্তু তার বক্তব্যে আরও সংযত হওয়া দরকার, একটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে মূল দায়িত্বে তিনি আছেন। কথাবার্তা অবশ্য তিনি ভালোই বলেন, তবে স্লিপ হতেই পারে। আমি আশা করি তিনি ভবিষ্যতে এ ধরনের বক্তব্য দেবেন না।”

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের মন্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে সিইসি বলেন, “আমি তো বাস্তব কথাটা বলেছি। সত্য কথা বলেছি। যদি কোথাও অনিয়ম হবে না বলি-মিথ্যা বলা হবে; আমি তো মিথ্যা কথা বলি না। এখন এ নিয়ে কেউ কিছু বললে বলতে পারে।”

সিইসির বক্তব্য নিয়ে সমালোচনা বা মন্তব্য করা সবারই ‘গণতান্ত্রিক অধিকার’ বলে মনে করেন কে এম নূরুল হুদা।

তিনি বলেন, নির্বাচনে অনিয়ম নিয়ে তার ওই বক্তব্যের কারণে জনমনে শঙ্কা তৈরি হওয়ারও কোনো কারণ নেই।

“সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর আইন শৃঙ্খলাবাহিনী থাকবে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আমাদের যা যা ব্যবস্থা নেওয়ার তা নেব আমরা।”

নির্বাচনকালীন সরকারের সময় শুরুর পর সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে কমিশন ভোটের তারিখ চূড়ান্ত করবে বলে জানান সিইসি।

তিনি বলেন, “অক্টোবর থেকে তো সময় শুরু হবে। নভেম্বরের শুরুতে তফসিল দেওয়া হতে পারে। শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা, বিশ্ব ইজতেমাসহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমরা বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেব।”

দলভিত্তিক সিটি নির্বাচনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে নূরুল হুদা বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বীরা মাঠে থাকলে ‘যে কোনো অনিয়ম’ প্রতিরোধ হবে।

“আশা করি সংসদ নির্বাচন প্রতিযোগতামূলক হবে। কেউ যদি মাঠেই না থাকে তাহলে তো যারা মাঠে থাকে তাদের অবস্থান বেশি দেখা যায়। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা যত বেশি শক্তভাবে মাঠে থাকবে, উপস্থিতি থাকবে; অনিয়ম প্রতিরোধ করবে তারাই।”

নূরুল হুদা বলেন, সিটি নির্বাচনে যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছে সেখানে অনিয়মও ছিল না। যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বীরা মাঠে নেই- সেখানে ‘সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা’ হয়েছে।

সম্পর্কিত পোস্ট

img
একাদশ জাতীয় সংসদ . . . .
১৫ নভেম্বর, ২০১৮
img
নির্বাচন ১ মিনিটও . . . .
১৫ নভেম্বর, ২০১৮

আমাদের ফেইসবুক

রাশিফল

  • sagittarius

    মেষ

  • sagittarius

    বৃষ

  • sagittarius

    মিথুন

  • sagittarius

    কর্কট

  • sagittarius

    সিংহ

  • sagittarius

    কন্যা

  • sagittarius

    তুলা

  • sagittarius

    বৃশ্চিক

  • sagittarius

    মকর

  • sagittarius

    কুম্ভ

  • sagittarius

    মীন

  • sagittarius

    ধনু

  • মেষ (২১ জানুয়ারী-২৮ ফ্রেরুয়ারী)

    ব্যক্তিগত যোগাযোগ সাফল্যের দিগন্তে পৌঁছে দিতে পারে। দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রাণের মানুষ প্রাণের পরে পদাঘাত করতে পারে, সতর্ক থাকুন।আপনি সব ব্যথা সয়ে নিতে পারেন এটাও পারবেন।

  • বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

    এসপ্তাহে হাতে যখন বেশ কিছু টাকা পয়সা আসবে তখন টাকাটা একটু কাজে লাগাবার চেষ্টা করুন। অতিথি, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলন ঘটবে। পরিবারের কেউ অসুস্থ হতে পারে।  মনের লেনাদেনা খারপ যাবেনা। 

  • মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

    এসপ্তাহে আপনার দেহ মনের খবর ভাল। মনন চর্চায় নতুন উৎকর্ষে পৌঁছোবেন।

    পরিবার পরিজনের খোঁজ খবর রাখুন। সপ্তাহ জুড়ে ভাও যাবে সময়। 

     

     

  • কর্কট (২২ জুন-২২ জুলাই)

     

    খরচাটা একটু কমান। পূর্বের কোনো কর্মের ফল ভোগ করতে হতে পারে।। স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণ হতে পারে। ছোট ভাইবোনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাবে। প্রয়োজনে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা পাবেন।

  • সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

     

    এসপ্তাহে টাকা পয়সা প্রাপ্তি আপনাকে উৎফুল্ল রাখবে। পরিবার বন্দু-বান্ধব উপকারে এগিয়ে আসবে। সাবধানে চলাচল করুন। একটু অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারেন। 

  • কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

    নতুন কাজে যুক্ত হতে পারেন। পেশাগত দিক ভালো যাবে। কর্মক্ষেত্রে সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। আয় উপার্জন বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। 

  • তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

    ধর্ম কর্মে মন নিবেশ হবে। ভাগ্যোন্নয়ণে প্রবীণ কারও দিকনির্দেশনা লাভ করতে পারেন। কর্মক্ষত্র থাকবে আপনার পক্ষে। বুঝে শুনে চললে ব্যবসা ভাল যাবে। 

  • বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

    কাজের চাপ বাড়বে। কাজ ফেলে না রেখে রুটিন অনুসারে করার চেষ্টা করুন।মানসিক চাপ পাত্তা দেবেন না। নিজেকে সংযত রাখুন, অন্যথায় সামাজিক বদনামের শিকার হতে পারেন। আনন্দময় সময় কাটানোরও সুযোগ পেতে পারেন।

  • মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

    শরীর খুব একটা ভালো নাও যেতে পারে। আহারে বিহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কোনো ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে দায় দায়িত্ব বাড়বে, বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। 

  • কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

    দূরদর্শী চিন্তাভাবনা আপনাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখবে। গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।  সাময়িকভাবে শরীর কম ভালো যেতে পারে। 

  • মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

    আজ আপনার সেই ইচ্ছেটা  পূর্ণ হতে পারে। প্রেম ও দাম্পত্য বিষয়ে বোঝাপড়া সহজ হবে। কেউ কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করতে পারেন।  ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে।

  • ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

    দাম্পত্য সম্পর্ক মোটামুটি ভালো যাবে। পারিবারিক সুখশান্তি বজায় থাকবে। কোনো বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। কোনো ধরনের প্রতিযোগীতার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ কোনো দক্ষতার জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।

পাঠক মতামত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি মামাবাড়ির আবদার। তার এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
ভোট দিয়েছেন জন
হ্যাঁ
না
মন্তব্য নেই