যে কারণে ঐক্যফ্রন্ট ছাড়লেন কাদের সিদ্দিকী

Sohag Sheikh ৮ জুলাই, ২০১৯ রাজনীতি
img

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী। তার বেরিয়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে গড়ে ওঠা দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক এ মোর্চায় ভাঙন স্পষ্ট হল।

কাদের সিদ্দিকী ঐক্যফ্রন্টে থাকবেন না এটি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা চলছিল। আজ সেটি বাস্তবে রূপ নিল।

সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার ঘোষণা দেন মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান রাখা এ রাজনীতিবিদ। আগের রাতে দলের নীতি নির্ধারণী বৈঠকে ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গ ত্যাগের ঘোষণা দিলেন কাদের সিদ্দিকী। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন এই জোটের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পেছনে বেশ কিছু কারণ আছে। আজ সংবাদ সম্মেলনে ওইসব কারণ সামনে নিয়ে আসেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিক।

জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী বিভিন্ন ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিক কৃষক শ্রমিক জনতা লীগসহ দলগুলোর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়। ভোট কারচুপি ও কেন্দ্র দখলের অভিযোগ তুলে একাদশ নির্বাচনের ফল বর্জন করা ঐক্যফ্রন্টের সিদ্ধান্ত ছিল সংসদে না যাওয়ার। কিন্তু শরিকদের না জানিয়ে প্রথমে গণফোরাম ও পরে বিএনপির সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়ে নেয়। ঐক্যফ্রন্টের প্রধান শরিক বিএনপি ও শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের কাদের সিদ্দিকী। ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন ও প্রধান দল বিএনপির কাছ থেকে ‘প্রত্যাশামাফিক’ উত্তর না পাওয়ায় জোট ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

আজকের সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘নির্বাচন-পরবর্তী এই ৭ মাস জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। আনুষ্ঠানিকভাবে মতিঝিলে ড. কামাল হোসেনের অফিসে একটি অসমাপ্ত বৈঠক ছাড়া কখনও কোনো নির্দিষ্ট বিষয়বস্তু নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। তাতে মনে হয় কোনো কালে কখনও জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক জোট গঠন হয়নি।’

তিনি বলেন, এমতাবস্থায় দেশের জনগণের প্রকৃত পাহারাদার হিসেবে গঠিত কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ বসে থাকতে পারে না। জাতীর এই ক্রান্তিলগ্নে জনগণকে পাশে নিয়ে নতুন উদ্যমে পথ চলা শুরুর অঙ্গীকার করছি আমরা।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন প্রসঙ্গে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন কাদের সিদ্দিকী। বলেন, ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক (শীর্ষ নেতা) ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব দিতে অনীহা রয়েছে। নির্বাচনের পর জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জনগণের সঙ্গে থাকতে পারেনি। তাই সার্বিক বিবেচনায় আমরা মনে করি এই ফ্রন্টের আর প্রয়োজন নেই।

ড. কামাল ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা হলেও তার নেতৃত্ব এখানে খাটে না এমন অভিযোগ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা হলেও একাদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন তার নেতৃত্বে দেয়া হয়নি। এমনকি মনোনয়নের কাজগপত্র জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের কার্যালয় থেকে দেয়া হয়নি। তা দেয়া হয়েছে খালেদা জিয়ার কার্যালয় থেকে। এতে বোঝা যায় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতৃত্ব দিয়েছে বিএনপি।

নির্বাচনের পর কাদের ড. কামালের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন কাদের সিদ্দিকী। বলেন, ‘নির্বাচনের পরে ড. কামাল হোসেনের প্রয়োজন ছিল নির্বাচন প্রত্যাখ্যান ও পুননির্বাচনের দাবি করা। এটাই ছিল জাতির প্রত্যাশা। কিন্তু তা না করায় জাতি হতাশ হয়েছে।’

ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় কোনো সমস্যাকে জাতীয় সামনে তুলে ধরতে পারছে না এমন দাবি করে কাদের সিদ্দিকীর ভাষ্য, জাতীয় কোনো সমস্যাকে তারা তুলে ধরতে পারছে না। এরকম একটি জোট যে আছে তা দেশের মানুষ জানেই না। তিনি বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব বা ঠিকানা খোঁজার চিন্তা মাথা থেকে ঝেরে ফেলে জনগণের সব সমস্যায় তাদের পাশে থাকার অঙ্গীকারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নতুন উদ্যমে পথচলা শুর করবে।

জনগণের পাশে থাকার অঙ্গীকার করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, আমরা সব সময় দেশবাসীর কাছে বিশ্বস্ত থাকার চেষ্টা করেছি, ভবিষ্যতে সেই চেষ্টা অব্যহত থাকবে।

ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ছেন কিনা বিষয়টি পরিষ্কার না, সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘ঐক্যফ্রন্টের অস্তিত্ব বা ঠিকানা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে জনগণের সব সমস্যায় পাশে থাকার অঙ্গীকারে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ নতুন উদ্যমে পথ চলা শুরু করছে। আমার মনে হয় না যে, এখানে কোনও অস্পষ্টতা আছে। সত্য কথা বলতে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট এখন খুঁজে পাওয়া যায় না। এর কোনও কর্মকাণ্ড নেই। সেজন্য সেখান থেকে আমরা চলে আসছি। বের হয়ে যাচ্ছি বা আমাদের প্রত্যাহার করছি, এই শব্দটা ব্যবহারের কথা যুক্তিযুক্ত মনে হয় নাই। সেজন্য তাদের খোঁজার কথাটা বলেছি। তাদেরকে মাথা থেকে ঝেরে ফেলেছি। এর অর্থ আপনি যেটা বলেছেন, সেটাকেই বোঝায়।

ঐক্যফ্রন্ট এখন আর কার্যকর নেই উল্লেখ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন উপস্থিত না থাকায় গত ১০ জুন কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সভা মুলতবি করা হয়। এরপর এক মাস পেরিয়ে গেলেও মুলতবি সভা আর আয়োজন করা হয়নি। কাদের সিদ্দিকীর দাবি, বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি। এতে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের নেতাকর্মীদের ক্ষোভ বেড়েছে। ঐক্যফ্রন্টের এমন কর্মকাণ্ডে তাদের নেতা কাদের সিদ্দিকীকে অবজ্ঞা করা হয়েছে বলেই মনে করেন তারা। এমন প্রেক্ষাপটেই গত বৃহস্পতিবার দলের বর্ধিত সভায় ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার দাবি তুলেন দলের নেতাকর্মীরা।

এর আগেও নির্বাচন পরবর্তী ঐক্যফ্রন্টের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগে তুলে জোট ছাড়ার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন কাদের সিদ্দিকী।

কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের দায়িত্বশীল এক নেতা জানান, রোববার রাত ১১টায় সিদ্ধান্ত হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে থাকছে না কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ। সোমবার সকালে সিনিয়র নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন কাদের সিদ্দিকী। এরপরই ফ্রন্ট ছাড়ার ঘোষণা দেন।

এ বিষয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ ইকবাল সিদ্দিকী গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আমরা তো ব্যাখ্যা চেয়েছিলাম ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের কাছে। ১০ জুন ফ্রন্টের বৈঠক হয়েছে। কথা ছিল সেই বৈঠকে ব্যাখ্যা দেবে। কাদের সিদ্দিকী চিঠি দিয়েছেন। সংসদে যাওয়ার সিদ্ধান্ত কে দিয়েছে, সেটা তো আমরা জানি না। এই সিদ্ধান্ত কে নিলো, কেউ বলতে পারে না। আমি নিজেও স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, আমি জানি না। আমাদের নেতাও জানেন না। আমরা সবাই জানি, ড. কামাল হোসেন শীর্ষনেতা, কিন্তু তার কাছে তো আমরা জানতে চেয়েছি, কিন্তু তিনিও বলতে পারেন না। এসব কারণেই আমরা ফ্রন্ট ছাড়ছি।’

২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবর সরকারবিরোধী আন্দোলনের অংশ হিসেবে গঠন হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। প্রথমে বিএনপি, গণফোরাম, নাগরিক ঐক্য, জেএসডি ও জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া মিলে ঐক্যফ্রন্ট গঠন হয়। গত বছরের ৫ নভেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে যোগ দেন কাদের সিদ্দিকী।

সম্পর্কিত পোস্ট

আমাদের ফেইসবুক

রাশিফল

  • sagittarius

    মেষ

  • sagittarius

    বৃষ

  • sagittarius

    মিথুন

  • sagittarius

    কর্কট

  • sagittarius

    সিংহ

  • sagittarius

    কন্যা

  • sagittarius

    তুলা

  • sagittarius

    বৃশ্চিক

  • sagittarius

    মকর

  • sagittarius

    কুম্ভ

  • sagittarius

    মীন

  • sagittarius

    ধনু

  • মেষ (২১ জানুয়ারী-২৮ ফ্রেরুয়ারী)

    ব্যক্তিগত যোগাযোগ সাফল্যের দিগন্তে পৌঁছে দিতে পারে। দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রাণের মানুষ প্রাণের পরে পদাঘাত করতে পারে, সতর্ক থাকুন।আপনি সব ব্যথা সয়ে নিতে পারেন এটাও পারবেন।

  • বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

    এসপ্তাহে হাতে যখন বেশ কিছু টাকা পয়সা আসবে তখন টাকাটা একটু কাজে লাগাবার চেষ্টা করুন। অতিথি, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলন ঘটবে। পরিবারের কেউ অসুস্থ হতে পারে।  মনের লেনাদেনা খারপ যাবেনা। 

  • মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

    এসপ্তাহে আপনার দেহ মনের খবর ভাল। মনন চর্চায় নতুন উৎকর্ষে পৌঁছোবেন।

    পরিবার পরিজনের খোঁজ খবর রাখুন। সপ্তাহ জুড়ে ভাও যাবে সময়। 

     

     

  • কর্কট (২২ জুন-২২ জুলাই)

     

    খরচাটা একটু কমান। পূর্বের কোনো কর্মের ফল ভোগ করতে হতে পারে।। স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণ হতে পারে। ছোট ভাইবোনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাবে। প্রয়োজনে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা পাবেন।

  • সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

     

    এসপ্তাহে টাকা পয়সা প্রাপ্তি আপনাকে উৎফুল্ল রাখবে। পরিবার বন্দু-বান্ধব উপকারে এগিয়ে আসবে। সাবধানে চলাচল করুন। একটু অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারেন। 

  • কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

    নতুন কাজে যুক্ত হতে পারেন। পেশাগত দিক ভালো যাবে। কর্মক্ষেত্রে সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। আয় উপার্জন বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। 

  • তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

    ধর্ম কর্মে মন নিবেশ হবে। ভাগ্যোন্নয়ণে প্রবীণ কারও দিকনির্দেশনা লাভ করতে পারেন। কর্মক্ষত্র থাকবে আপনার পক্ষে। বুঝে শুনে চললে ব্যবসা ভাল যাবে। 

  • বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

    কাজের চাপ বাড়বে। কাজ ফেলে না রেখে রুটিন অনুসারে করার চেষ্টা করুন।মানসিক চাপ পাত্তা দেবেন না। নিজেকে সংযত রাখুন, অন্যথায় সামাজিক বদনামের শিকার হতে পারেন। আনন্দময় সময় কাটানোরও সুযোগ পেতে পারেন।

  • মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

    শরীর খুব একটা ভালো নাও যেতে পারে। আহারে বিহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কোনো ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে দায় দায়িত্ব বাড়বে, বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। 

  • কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

    দূরদর্শী চিন্তাভাবনা আপনাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখবে। গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।  সাময়িকভাবে শরীর কম ভালো যেতে পারে। 

  • মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

    আজ আপনার সেই ইচ্ছেটা  পূর্ণ হতে পারে। প্রেম ও দাম্পত্য বিষয়ে বোঝাপড়া সহজ হবে। কেউ কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করতে পারেন।  ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে।

  • ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

    দাম্পত্য সম্পর্ক মোটামুটি ভালো যাবে। পারিবারিক সুখশান্তি বজায় থাকবে। কোনো বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। কোনো ধরনের প্রতিযোগীতার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ কোনো দক্ষতার জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।

পাঠক মতামত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সরকারের কাছে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি মামাবাড়ির আবদার। তার এ বক্তব্যের সঙ্গে আপনি কি একমত?
ভোট দিয়েছেন জন
হ্যাঁ
না
মন্তব্য নেই