মহাদুযোর্গ মোকাবেলায় ৮৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি বিএনপির

Sohag Sheikh ৪ এপ্রিল, ২০২০ রাজনীতি
img

করোনাভাইরাসের মহামারীর মধ্যে দেশের অর্থনীতিতে সম্ভাব্য মহাদুযোর্গ মোকাবেলায় সরকারের কাছে ৮৭ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। এছাড়া রাজনৈতিক প্রতিহিংসা পরিহার করে এ বিষয়ে ঐকমত প্রতিষ্ঠায় সরকারকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দলটি ২৭ টি প্রস্তাব দিয়েছে করোনা মোকাবিলায় পদক্ষেপের জন্য। সংকট মোকাবিলায় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বিপুল পরীক্ষা কিট ব্যবস্থা, চিকিৎসক-নার্সদের জন্য পিপিই নিশ্চিত করা, রাজধানী, জেলা, উপজেলায় পযাপ্ত সংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক করোনা পরীক্ষা কেন্দ্র, পৃথক কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন ব্যবস্থা করা, মহাবিপদের ঝুঁকি থেকে চিকিৎসক-নার্সদের রক্ষা, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে করোনা প্রতিরোধ ও শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেছেন মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (৪ এপ্রিল) সকালে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দলের পক্ষ থেকে ২৭ দফা প্যাকেজ প্রস্তাবনা তুলে ধরেন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমাদের প্রদত্ত সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের জন্য জিডিপির ৩ শতাংশ অর্থ সমন্বয়ে ৮৭ হাজার কোটি টাকার একটি বিশেষ তহবিল ঘোষণা করতে হবে।

শাটডাউন প্রত্যাহার হলে নতুন করে একটি সংশোধিত আর্থিক প্যাকেজ প্রদান করতে হবে যে, সকল সেক্টারের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সাধারণ ছুটিপূর্ব স্তরে ফিরে আসতে সক্ষম হয়। এই দুযোর্গ মোকাবেলায় জাতীয় ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে সমিন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের উপর জোর দেন মির্জা ফখরুল।

করোনাভাইরাসে সৃষ্ট অর্থনৈতিক অচলাবস্থার মধ্যে দরিদ্র্য,গৃহহীন, দুঃস্থ জনগোষ্ঠীর মুখে খাবার তুলে দিতে দেশের জনহিতৈষী ও বিত্তবানদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, করোনা মোকাবিলায় শুরু থেকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে ভয়াবহতার সম্ভাবনা কম হতো। এখন আর উদাসীনতার সুযোগ নেই। মহামারী থেকে বের হতে হলে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ব মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনা ভাইরাস গোটা মানবজাতিকে হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ইতোমধ্যে বিশ্বের ১৮০ টি দেশে এই প্রাণঘাতী মহামারী ছড়িয়েছে। সরকারি সোর্স অনুযায়ী বাংলাদেশে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৬১ জন। তন্মধ্যে মারা গেছে ৬ জন। যদিও আক্রান্তের সংখ্যা ও মৃত্যুর সঠিক তথ্য নিয়ে অনেকেই সন্দেহ করছেন।

বাংলাদেশ করোনার তৃতীয় স্তরে পৌঁছেছে। অর্থাৎ করোনা এখন কমিউনিটি পর্যায়ে সংক্রমিত হওয়া শুরু হয়েছে। তাই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রদত্ত নীতিমালা অনুযায়ী সকলকে আরো সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।

তিনি বলেন, কাশি জ্বর হলেই তা করোনা নাও হতে পারে। তাই এখন প্রয়োজন পরীক্ষা, পরীক্ষা আর পরীক্ষা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে সরকারের রোগ পরীক্ষা এবং আক্রান্তের পরিসংখ্যানের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

অথচ কোরিয়া, সিংগাপুরসহ যে সব দেশ স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করেছে তারাই সুফল পেয়েছে। অপরদিকে বাংলাদেশে বেশিরভাগ মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও IEDCR এর হটলাইনে ফোন করে সেবা নিতে ব্যর্থ হচ্ছে, কোন প্রতিকার পাচ্ছে না।

পত্রিকার সুত্র অনুযায়ী বাংলাদেশে গত দুই মাসে আট লক্ষ মানুষ করোনা হট লাইনে করোনা টেস্টের জন্য ফোন করে। IEDCR একাই ৭০ হাজারের ঊর্ধ্বে কল পেলেও ২৮ শে মার্চ পর্যন্ত মাত্র ১১০০ জনকে টেস্ট করা হয়েছে তন্মধ্যে ৪৮ টি কেইস করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে; অর্থাৎ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বারংবার তাগিদ সত্বেও বাংলাদেশ সর্বনিম্ন টেস্টিং দেশের অন্যতম।

অন্যদিকে ‘fatality rate’ এর চিত্র দেখলে এটি স্পষ্ট যে, বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার করোনা বিধ্বস্ত ইতালির তুলনায় অনেক বেশি। বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১০.৪ শতাংশ অথচ ইটালিতে মৃত্যুর হার ১০.২ শতাংশ। নিঃসন্দেহে রোগ পরীক্ষার স্বল্পতাই এই হিমশীতল মৃত্যুহারের কারণ।

প্রতি হাজারে কোরিয়া যেখানে টেস্ট করেছে ৬ জন, সেখানে বাংলাদেশ প্রতি ১০ লক্ষে টেস্ট করেছে মাত্র ৬ জন। এটা কি উদাসীনতা না উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত তা আমাদের বোধগম্য নয়। এ মহা দুর্যোগের সময় অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন এ তথ্যের অস্বচ্ছতার কারনে জাতিকে কোন চড়া মূল্য দিতে হয় কিনা সেটাই আশংকা।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে ফখরুল বলেন, কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এগারো লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলিম রিফিউজি ঘনবসতিপূর্ণ ছোট্ট পরিসরে মানবেতর জীবন যাপন করছে। যথাযথ সর্তকতা ও প্রতিরোধ (preventive) মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, যাতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংক্রমিত না হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, করোনার আঘাত আসার আগেই বাংলাদেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর, নাজুক ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা নিয়ে বিশেষজ্ঞমহল উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছেন। সবচেয়ে বেশি আলোচিত ব্যাংকিং খাত।

লাখো কোটি টাকার উপর খেলাপি ঋণ। পরিচালক ও ব্যাংকার মিলেমিশে ব্যাংক লুট, বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি, কুইক রেন্টাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের ক্যাপাসিটি চার্জের নামে বিপুল অর্থ লোপাট, মেগা প্রকল্পের প্রকল্পব্যয় অযথা বৃদ্ধিসহ নানা উপায়ে বিরাট অংকের দুর্নীতি, প্রতি বছর লাখো কোটি টাকার ঊর্ধ্বে বিদেশে পাচারসহ আকণ্ঠ দুর্নীতি উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করেছে। রফতানি প্রবৃদ্ধি ছিল নেতিবাচক।

এখন তা আরো ঘনীভূত হবে। আমদানিও নিম্নমুখী। রেমিট্যান্স প্রবাহ জানুয়ারিতে নেমে গিয়েছিল ২.৬০ শতাংশে। অর্থনীতির অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুঁজিবাজার ইতিহাসের সর্বনিম্ন সূচকে নেমে এসেছে। বেকারের সংখ্যা বেড়েছে কয়েকগুণ।

রাজস্ব সংগ্রহে ভাটা চলছে। সারা বছর যে পরিমাণ অর্থ ব্যাংক খাত নেয়ার কথা, প্রথম ৪/৫ মাসেই তার চেয়ে অধিক অর্থ সরকার ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছে। বিনিয়োগের ধারা ঋণাত্মক পর্যায়ে নেমে এসেছে।

এক কথায় গোটা অর্থব্যবস্থা ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে বৈষম্যমূলক তথাকথিত উন্নয়ন, সুশাসনের অভাব এবং আইনের শাসনের অভাবের ঠিক এই সময়ে যোগ হয়েছে করোনাভাইরাসের ছোবল। এই মহামারি থেকে বেরুতে হলে সকারের পক্ষ থেকে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিতে হবে।

বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এক ভিডিও বার্তায় বিএনপি'র সর্বস্তরের নেতাকর্মীদেরকে স্থানীয় পর্যায়ে করোনা-ভাইরাস সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ এবং শাটডাউনের কারণে কর্মহীন দুঃস্থ জনগণের মুখে দু'মুঠো খাবার তুলে দিতে দলীয় নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণ ও বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মহামারীর ভয়াবহতা অনুভব করে বিএনপিই প্রথম জনগণের মধ্যে গণসচেতনতামূলক সচিত্র লিফলেট ও মাস্ক বিতরণ শুরু করে।

দিনমজুর শ্রেণীর কষ্ট কিছুটা হলেও লাঘবের নিমিত্তে বিএনপি সারাদেশে খাদ্য বিতরণ কর্মসূচি পালন করছে। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন ও ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ (ড্যাব) হেল্প-লাইনের মাধ্যমে চিকিৎসাসেবা ও সহযোগিতা প্রদান শুরু করেছে।

প্রতিদিন এ কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও স্থানীয় নেতাকর্মীরা এলাকা ভিত্তিক দরিদ্র জনগণের ঘরে ঘরে খাদ্য সামগ্রী ও সাহায্য পৌঁছে দেয়ার কাজ করে।

স্বল্পমেয়াদী খাতে ৬১ হাজার কোটি টাকা, মধ্য মেয়াদী খাতে ১৮ হাজার কোটি টাকা এবং অতিরিক্ত আরো ৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখার প্রস্তাব করেছে দলটি।

সম্পর্কিত পোস্ট

আমাদের ফেইসবুক

রাশিফল

  • sagittarius

    মেষ

  • sagittarius

    বৃষ

  • sagittarius

    মিথুন

  • sagittarius

    কর্কট

  • sagittarius

    সিংহ

  • sagittarius

    কন্যা

  • sagittarius

    তুলা

  • sagittarius

    বৃশ্চিক

  • sagittarius

    মকর

  • sagittarius

    কুম্ভ

  • sagittarius

    মীন

  • sagittarius

    ধনু

  • মেষ (২১ জানুয়ারী-২৮ ফ্রেরুয়ারী)

    ব্যক্তিগত যোগাযোগ সাফল্যের দিগন্তে পৌঁছে দিতে পারে। দীর্ঘ দিনের লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন হতে পারে। প্রাণের মানুষ প্রাণের পরে পদাঘাত করতে পারে, সতর্ক থাকুন।আপনি সব ব্যথা সয়ে নিতে পারেন এটাও পারবেন।

  • বৃষ (২১ এপ্রিল-২১ মে)

    এসপ্তাহে হাতে যখন বেশ কিছু টাকা পয়সা আসবে তখন টাকাটা একটু কাজে লাগাবার চেষ্টা করুন। অতিথি, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে মিলন ঘটবে। পরিবারের কেউ অসুস্থ হতে পারে।  মনের লেনাদেনা খারপ যাবেনা। 

  • মিথুন (২২ মে-২১ জুন)

    এসপ্তাহে আপনার দেহ মনের খবর ভাল। মনন চর্চায় নতুন উৎকর্ষে পৌঁছোবেন।

    পরিবার পরিজনের খোঁজ খবর রাখুন। সপ্তাহ জুড়ে ভাও যাবে সময়। 

     

     

  • কর্কট (২২ জুন-২২ জুলাই)

     

    খরচাটা একটু কমান। পূর্বের কোনো কর্মের ফল ভোগ করতে হতে পারে।। স্বল্প দূরত্বে ভ্রমণ হতে পারে। ছোট ভাইবোনের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো যাবে। প্রয়োজনে তাদের সমর্থন ও সহযোগিতা পাবেন।

  • সিংহ (২৩ জুলাই-২৩ আগস্ট)

     

    এসপ্তাহে টাকা পয়সা প্রাপ্তি আপনাকে উৎফুল্ল রাখবে। পরিবার বন্দু-বান্ধব উপকারে এগিয়ে আসবে। সাবধানে চলাচল করুন। একটু অসাবধানতার কারণে দুর্ঘটনায় পতিত হতে পারেন। 

  • কন্যা (২৪ আগস্ট-২৩ সেপ্টেম্বর)

    নতুন কাজে যুক্ত হতে পারেন। পেশাগত দিক ভালো যাবে। কর্মক্ষেত্রে সুনাম ও মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে। সামাজিক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে। আয় উপার্জন বৃদ্ধির যোগ রয়েছে। 

  • তুলা (২৪ সেপ্টেম্বর-২৩ অক্টোবর)

    ধর্ম কর্মে মন নিবেশ হবে। ভাগ্যোন্নয়ণে প্রবীণ কারও দিকনির্দেশনা লাভ করতে পারেন। কর্মক্ষত্র থাকবে আপনার পক্ষে। বুঝে শুনে চললে ব্যবসা ভাল যাবে। 

  • বৃশ্চিক (২৪ অক্টোবর-২২ নভেম্বর)

    কাজের চাপ বাড়বে। কাজ ফেলে না রেখে রুটিন অনুসারে করার চেষ্টা করুন।মানসিক চাপ পাত্তা দেবেন না। নিজেকে সংযত রাখুন, অন্যথায় সামাজিক বদনামের শিকার হতে পারেন। আনন্দময় সময় কাটানোরও সুযোগ পেতে পারেন।

  • মকর (২২ ডিসেম্বর-২০ জানুয়ারি)

    শরীর খুব একটা ভালো নাও যেতে পারে। আহারে বিহারে সাবধানতা অবলম্বন করুন। কোনো ভুল সিদ্ধান্তের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে দায় দায়িত্ব বাড়বে, বিতর্ক এড়িয়ে চলুন। 

  • কুম্ভ (২১ জানুয়ারি-১৮ ফেব্রুয়ারি)

    দূরদর্শী চিন্তাভাবনা আপনাকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখবে। গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।  সাময়িকভাবে শরীর কম ভালো যেতে পারে। 

  • মীন (১৯ ফেব্রুয়ারি-২০ মার্চ)

    আজ আপনার সেই ইচ্ছেটা  পূর্ণ হতে পারে। প্রেম ও দাম্পত্য বিষয়ে বোঝাপড়া সহজ হবে। কেউ কেউ স্থাবর সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করতে পারেন।  ব্যবসায়িক দিক ভালো যাবে।

  • ধনু (২৩ নভেম্বর-২১ ডিসেম্বর)

    দাম্পত্য সম্পর্ক মোটামুটি ভালো যাবে। পারিবারিক সুখশান্তি বজায় থাকবে। কোনো বিষয়ে চুক্তি হতে পারে। কোনো ধরনের প্রতিযোগীতার সম্মুখীন হতে পারেন। বিশেষ কোনো দক্ষতার জন্য প্রশংসিত হতে পারেন।

পাঠক মতামত

আজকের প্রশ্ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেছেন, করোনা মোকাবিলায় বিএনপি এখন সরকারের সহযোগী হবে। আপনিও কি তাই মনে করেন?
ভোট দিয়েছেন জন
হ্যাঁ
না
মন্তব্য নেই